যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভের ঝড় বইছে। পাকিস্তান, ইরাক ও ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরসহ কয়েকটি দেশে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষে মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন।
পাকিস্তানের করাচি শহরে মার্কিন কনস্যুলেটের বাইরে বিক্ষোভকারীরা নিরাপত্তা প্রাচীর ভেঙে প্রবেশের চেষ্টা করলে অন্তত ৯ জন নিহত এবং ৩৪ জন আহত হন। এ সময় বিক্ষোভকারীরা ‘ইসরায়েল নিপাত যাক, আমেরিকা নিপাত যাক’ স্লোগান দেন। লাহোর ও ইসলামাবাদেও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে বিক্ষোভকারীরা কাঁদানে গ্যাসের শেলের মুখোমুখি হন।
উত্তরের স্কার্দু শহরে জাতিসংঘের একটি কার্যালয়েও আগুন দেয় বিক্ষোভকারীরা। ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের প্রাঙ্গণে প্রবেশের চেষ্টা করে শত শত ইরানপন্থী বিক্ষোভকারী। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস এবং স্টান গ্রেনেড ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরেও কয়েক হাজার শিয়া মুসলিম মার্কিন ও ইসরায়েলবিরোধী স্লোগান দেন।
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি বিক্ষোভকারীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। ইরাক সরকার তিন দিনের শোক ঘোষণা করেছে। এদিকে, ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতা গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ আলী সিস্তানি ইরানিদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।